Registration

★★★★যৌনজীবনে পুরুষের একান্ত দুর্বলতা – লক্ষণ, কারণ ও কী ?★★★★

View : 5497 Views
Post on: 3 months ago , Mon
Rate This:
Rate this post

★★★★যৌনজীবনে পুরুষের একান্ত দুর্বলতা – লক্ষণ, কারণ ও কী ?★★★★

পুরুষত্বহীনতা, অর্থাৎ পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা।

অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।

কিন্তু কারণ কি পুরুষদের এই ক্রমশ শারীরিকভাবে সক্ষম বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের বর্তমানের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেই।

হ্যাঁ, আপনার প্রতিদিনের স্ট্রেসভরা অস্বাস্থ্যকর জীবন, আপনার নিজের কোন একটা ভুলই হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার আগে জানতে হবে পুরুষের একান্ত দুর্বলতাগুলো কী কী বা কেমন হতে পারে।

শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-

১)ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা।

২)পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যোনিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া

৩)প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব।

থাকতে পারে অনেকগুলো কারণ

প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো- ডায়াবেটিস, লিঙ্গে জন্মগত কোন ত্রুটি, সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌনরোগ ইত্যাদি।

প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।

আবার অতিরিক্ত যৌন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মাস্টারবেট বা হস মৈথুন করা, যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না। এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে বয়সের পার্থক্য বা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, এইডসভীতি, পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

কী করবেন?

প্রথমেই যা করবেন, সেটা হলো একজন ভালো ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা না করে নিজের সমস্ত সমস্যা খুলে বলুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মত প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা নিন। এতে লজ্জার কিছুই নেই। একটাই জীবন। লিজ্জার চাইতে নিজেকে সুস্থ ও সক্ষম রাখা জরুরী।
আপনার ডায়াবেটিস থাকলে প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
নিজের জীবনধারাকে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনে বদলে ফেলুন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান, ব্যায়াম করুন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান, চেষ্টা করে কাজের চাপের মাঝেও বিশ্রাম নিতে। আপনার শরীর যখন সুস্থ ও সক্ষম থাকবে, যৌনজীবনও থাকবে সুন্দর।
সঙ্গীর সাথে রোমান্টিক জীবনের উন্নতি করুন। এক ঘেয়ে যৌন জীবনে নানান রকমের চমক ও আনন্দ নিয়ে আসুন। তাঁকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যে নতুন চমক এলে আপনার মানসিকভাবে সাহায্য হবে। রোমান্টিক বেডরুম, আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, সেক্স টয় ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।
যদি সঙ্গীকে অপছন্দ করার কারণে সমস্যা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন সঙ্গীকে ভালবাসতে। তার সাথে দূরে কোথাও নিরিবিলি বেড়াতে যান, তাঁকে গভীর ভাবে জানার চেষ্টা করুন।
আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ার চেষ্টা করুন। মানসিকভাবে প্রেমে পরলে শরীরটাও সাড়া দেবে। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, বাস্তবের নারীর সাথে সিনেমার নায়িকা বা পর্ণ স্টারদের মিল খুঁজতে যাবেন না। নিজের দিকে তাকান, নিজের সাধারণত্ব দেখুন। দেখবেন, সঙ্গীকেও আর খারাপ লাগছে না।
কী করবেন না?

অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। মাঝে মাঝে মাস্টারবেট অবিবাহিত পুরুষদের জন্য খারাপ কিছু নয়, তবে সেটা মাঝে মাঝেই ভালো। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌনজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।
যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাতুড়ে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হবেন না বা কোন টোটকা ব্যবহার করবেন না। কোন তেল বা ওষুধ কিছুই ব্যবহার করবেন না হাতুড়েদের কথায় প্রভাবিত হয়ে।
বাজারে সাময়িকভাবে যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।

অপ্রকৃত দ্রুত বীর্য স্খলন ও ধ্বজভঙ্গ রোগীর আয়ুর্বেদিক হারবাল চিকিৎসা

শৃঙ্গারের অভাবে বা স্ত্রীর সক্রিয়তার অভাবে স্ত্রীর চরম পুলক না হইতে পারে । ইহাকে দ্রুত স্খলন বলে না । আবার কখনও স্বামীর মধ্যে মধ্যে বিরতি দিয়া জোরে জোরে অঙ্গ চালনার জন্য স্ত্রীর ভঙ্গাঙ্কুর সহনশীলতার একটি অবস্থার সৃষ্টি হয় । এই জন্য শেষে দ্রুত অঙ্গ চালনা করিলেও কখনও কখনও চরমপুলক হয় না ।

সৃঙ্গার পূর্ণরূপে হওয়া দরকার । ইহার অভাবে নারীর প্রস্তুতিই হয় না । অর্থাৎ তাহার যঅভাবে বা স্ত্রীর সক্রিয়তার অভাবে স্ত্রীর চরম পুলক না হইতে পারে । ইহাকে দ্রুত স্খলন বলে না । আবার কখনও স্বামীর মধ্যে মধ্যে বিরতি দিয়া জোরে জোরে অঙ্গ চালনার জন্য স্ত্রীর ভঙ্গাঙ্কুর সহনশীলতার একটি অবস্থার সৃষ্টি হয় । এই জন্য শেষে দ্রুত অঙ্গ চালনা করিলেও কখনও কখনও চরমপুলক হয় না ।
সৃঙ্গার পূর্ণরূপে হওয়া দরকার । ইহার অভাবে নারীর প্রস্তুতিই হয় না । অর্থাৎ তাহার যৌন অঙ্গের প্রতিটি স্তর মিলনের জন্য পূর্ণরূপে উপযোগী হয় না । ইহার প্রমান পাওয়া যাইবে তাহার যোনি পথে । উহা উত্তেজনার রসক্ষরণে পূর্ণরূপে সিক্ত হয় না ও পিচ্ছিল হয় না । পুরুষ সদা প্রস্তুত । অল্পক্ষণের মধ্যেই তাহার বীর্যপাত হইতে পারে । কিন্তু নারীর চরম পুলকের জন্য অঙ্গ প্রবেশের পূর্বে স্ত্রীর আঙ্গিক উত্তেজনা প্রয়োজন । পুরুষের উত্তেজনা সৃষ্টি হয় মনে । কিন্তু নারীর উত্তেজনার সৃষ্টি হয় দেহস্পর্শে । তাই দেহে প্রচুর উত্তেজনা দেওয়া চরম পুলকের প্রস্তুতির জন্য অবশ্য প্রয়োজন । যদি এই শৃঙ্গার উত্তমরূপে হয় তবে স্বামীর ২/৩ মিনিট রতিকাল স্ত্রীর চরমপুলকের জন্য যথেষ্ট ।
তাই এই শৃঙ্গার এক তরফা হইলে চলিবে না । যদি স্ত্রী নিজে শৃঙ্গারের সময় অংশ গ্রহণ করে তবে খুবই সহজ হয় । সে ছাড়া শৃঙ্গারের পরে স্ত্রী উপরে, স্বামী নিচে এই অবস্থায় যদি স্ত্রী সক্রিয়ভাবে তাহার অঙ্গ চালনা করে তবে ১ হইতে ৩ মিনিটের মধ্যেই তাহার চরম পুলক হইতে পারে । অথবা সামনাসামনি বসা অবস্থায়ও যদি সক্রিয় অংশ নেয় তবে সহজে চরম পুলক হয় ।
স্ত্রীর ভগাঙ্কুরের সহনশীলতার বিষয়ে সকল সময় স্বামীকে লক্ষ্য রাখিতে হইবে । শেষ পর্যায় ব্যতীত বিরতি দেওয়ার পর্যায়ে কখনও সে যেন জোরে জোরে এবং সম্পূর্ণ অঙ্গ চালনা না করে । এই বিষয় নারীর চরম পুলক কি ভাবে হয় নিম্নে তাহা আলোচনা করছি ।
★★ নারীর চরম পুলক কিভাবে হয় ( Orgasm & how it occurs ) ★★
যোনি পথের নীচের প্রান্তও সংবেদনশীল, কিন্তু ভগাঙ্কুর হইতে অপেক্ষা কৃত কম । যদি যৌন অঙ্গ দ্বারা যোনিপথ মৃদু মৃদু ঘর্ষণ হয় তবে ভঙ্গাঙ্কুর ক্রমেই চরম পুলক লাভের জন্য আগাইয়া আসিবার সুযোগ পায় । এইরূপ যদি দীর্ঘক্ষণ মৃদুমৃদু ঘর্ষণ অব্যাহত থাকে বা কিছুক্ষণ মৃদু ঘর্ষণের পর কয়েকবার বিরতি দেওয়া হয় তবে শেষ দিকে মাত্র কিছুক্ষণ সজোরে ঘর্ষণ দ্বারা সহজে চরম পুলক লাভ হইয়া থাকে । অথবা যোনি পথে প্রথম হইতে সজোরে ঘর্ষণ হইতে থাকিয়া যদি একই মাত্রায় চলিতে থাকে তাহা হইলেও সহজে ভঙ্গাঙ্কুরের চরম পুলক লাভ হইয়া থাকে । কিন্তু যদি সঙ্গমের প্রথম দিকে বা মাঝখানে কখনও যোনি পথে সজোরে ঘর্ষণ হইয়া উহার মাত্রা কমাইয়া দেওয়া হয় তবে ভগাঙ্কুরের চরম পুলকের পথে যে অগ্রগতি হইয়াছিল উহা পিছাইয়া যাইবে । পূর্বের সমান অগ্রগতির জন্য পূর্বের চেয়ে আরও সজোরে ঘর্ষণ দরকার হইবে । এইরূপ যদি কয়েকবার সজোরে ঘর্ষণ হইয়া পুনরায় স্থগিত থাকে তবে ভঙ্গাঙ্কুরের এমন একটি অবস্থার সৃষ্টি হইবে যাহাকে অতিক্রম করিয়া চরম পুলক লাভ হওয়া অধিক কষ্টকর হইবে । ইহাকে ভঙ্গাঙ্কুরের চরম পুলক লাভের পথে স্নায়ুর রেজিষ্টেন্স ( Resistance ) অবস্থা বলা হয় । ইহা স্পর্শ সুখ অনুভূতির বিরুদ্ধে স্নায়ুর
সহনশীলতা । হস্ত দ্বারা ভঙ্গাঙ্কুরের উত্তেজনা দেওয়ার সময় ও উক্ত একই পদ্ধতিতে একই ফল লাভ হয় ।
পুরুষাঙ্গ সম্পর্কেও একই কথা প্রযোজ্য । যদি প্রথম হইতে মৃদু মৃদু ঘর্ষণ হয় এবং কিছুক্ষণ পর পর উহার বিরতি হয় তবে কার্পাস ক্যাভারনোসামে ক্রমেই অধিক রক্ত সঞ্চয় হইতে থাকে । পুরুষের উপরোক্ত রেজিষ্টেন্স ( Resistance ) অবস্থা স্ত্রীলোকের চরম পুলক লাভের জন্য কাম্য । উহা মৃদু ঘর্ষণ যাহা তৈয়ার হয় উহাই যথেষ্ট । কিন্তু স্ত্রীলোকের বেলায় রেজিষ্টেন্স ( Resistance ) চরম পুলকের জন্য কাম্য নহে । মৃদু ঘর্ষণের বিরতিতে তাহার মধ্যে যে সামান্য রেজিষ্টেন্স তৈয়ার হয় উহা অসুবিধা জনক নহে । বরং সজোরে ঘর্ষণের পর পর বিরতিতে শক্ত রেজিষ্টেন্স তৈয়ার হয় । ★★★★
★★ আংশিক অঙ্গ শিথিলতা ও পুরুষত্বহীনতা বা ধ্বজভঙ্গ –
★ অল্প সময়ের ব্যবধানে বার বার স্ত্রী সঙ্গম হইলে কিছুক্ষণের জন্য এইরূপ হইতে পারে । এমন কি প্রথম দিকে সার্থকভাবে অঙ্গচালনার পরে মাঝ পথেও এরূপ হইতে পারে । সর্বাঙ্গীণ ও স্নায়ুর অত্যধিক ক্লান্তিতে এইরূপ হইতে পারে ।
★ অচেতন মনে হীনমন্যতার সৃষ্টি হওয়া । ইহা সাধারণতঃ অধিক মিলনের সময় বারবার দ্রুত স্খলন হইলে নিজের মনে একটা ধারণা বদ্ধমূল হইয়া যায় যে প্রকৃত পক্ষে তাহার যৌন ক্ষমতা দুর্বল, অথচ তাহার বারবার দ্রুত স্খলনের পিছনে প্রকৃত কারণ ছিল, দুর্নামের ভয়, গর্ভ হওয়ার ভয়, ইত্যাদি । প্রথম ছিল ভয়, ভয় হইতে দ্রুত স্খলন, দ্রুত স্খলন হইতে সক্ষম হইতে না পারার ভীতি, এই যৌন ভীতি হইতে আরও দ্রুত স্খলন । তাই তাহার নিজের উপর অবিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় । ইহা যদি বহুদিন যাবত চলিতে থাকে এবং এই ভ★★ আংশিক অঙ্গ শিথিলতা ও পুরুষত্বহীনতা বা ধ্বজভঙ্গ – ★★
উত্তেজনা হওয়ার পর উহা স্থায়ী না থাকার নাম আংশিক অঙ্গ শিথিলতা । অঙ্গ মোটেই দৃঢ় না হওয়ার নাম পুরুষত্বহীনতা ।
★ অল্প সময়ের ব্যবধানে বার বার স্ত্রী সঙ্গম হইলে কিছুক্ষণের জন্য এইরূপ হইতে পারে । এমন কি প্রথম দিকে সার্থকভাবে অঙ্গচালনার পরে মাঝ পথেও এরূপ হইতে পারে । সর্বাঙ্গীণ ও স্নায়ুর অত্যধিক ক্লান্তিতে এইরূপ হইতে পারে ।
★ অচেতন মনে হীনমন্যতার সৃষ্টি হওয়া । ইহা সাধারণতঃ অধিক মিলনের সময় বারবার দ্রুত স্খলন হইলে নিজের মনে একটা ধারণা বদ্ধমূল হইয়া যায় যে প্রকৃত পক্ষে তাহার যৌন ক্ষমতা দুর্বল, অথচ তাহার বারবার দ্রুত স্খলনের পিছনে প্রকৃত কারণ ছিল, দুর্নামের ভয়, গর্ভ হওয়ার ভয়, ইত্যাদি । প্রথম ছিল ভয়, ভয় হইতে দ্রুত স্খলন, দ্রুত স্খলন হইতে সক্ষম হইতে না পারার ভীতি, এই যৌন ভীতি হইতে আরও দ্রুত স্খলন । তাই তাহার নিজের উপর অবিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় । ইহা যদি বহুদিন যাবত চলিতে থাকে এবং এই ভয় মনটাকে অনেক খানি গ্রাস করে তবে ঐ অবস্থায় আংশিক অঙ্গ শিথিলতা দেখা দিতে পারে । ক্ষুদ্র পুরুষাঙ্গ ও স্ত্রীর বিরাট দেহের চিন্তায় ও উহা হইতে পারে ।
আবার অবৈধ মিলন ব্যতীত স্বপ্নদোষ, হস্ত মৈথুন, ঘোলাটে বা সাদা প্রস্রাব, মলত্যাগ ও প্রস্রাবের সহিত অপ্রকৃত বীর্যপাত ইত্যাদি হইতে মনে মনে দীর্ঘদিন যাবত যদি যৌন আতঙ্ক চলিতে থাকে এবং উহা মনকে আংশিক গ্রাস করিতে পারিয়া থাকে তবে ইহাতে আংশিক অঙ্গ শিথিলতা দেখা দিতে পারে ।
উপরোক্ত কারণ সমূহ বা বাল্য ও যৌবনকালে মনের উপর কোনও নিষেধ প্রভাব যথা – সঙ্গম করা একটি বিশ্রী ও ঘৃণা জনক কাজ ইত্যাদি যদি সম্পূর্ণ মনকে গ্রাস করিয়া থাকে তবে পূর্ণ শিথিলতা বা পুরুষত্বহীনতা বা ধ্বজভঙ্গ দেখা দিবে ।
★★ রোগের কারণ নির্ণয় –
যদি হঠাৎ ইহা দেখা দিয়া থাকে তবে বুঝিতে হইবে যে উহা সাময়িক দেহ ও মনের ক্লান্তি জনিত । যদি ধীরে ধীরে দেখা দিয়া থাকে তবে জানিতে হইবে যে বিগত দিনে তাহার যৌন অভ্যাস কি রকম ছিল । যদি অত্যধিক রতিক্রিয়ার ইতিহাস পাওয়া যায় তবে উহাও সাময়িক মানসিক ক্লান্তি জনিত । যদি পূর্বে অত্যধিক স্বপ্নদোষ, হস্ত মৈথুন ইত্যাদির ইতিহাস থাকে এবং কখনও স্ত্রীর সহিত সার্থক রতি ক্রিয়া করিতে না পারিয়া থাকে অথবা বিবাহের পূর্বে বা পরে অবৈধ মিলনের অভ্যাস থাকিয়া থাকে এবং দীর্ঘদিন ধরিয়া দ্রুত স্খলন চলিয়া থাকে তবে উভয় ক্ষেত্রেই যৌনহীনমন্যতা ( Inferiority complex regarding his ability in coitus ) হইতে আংশিক অঙ্গ শিথিলতার সৃষ্টি হইয়াছে বুঝিতে হইবে ।
অথবা রোগীর মধ্যে অত্যধিক মানসিক দুশ্চিন্তার কারণ পাওয়া যাইতে পারে । বহুদিনের পুরাতন গনোরিয়া রোগ থাকিতে পারে ।
★★ চিকিৎসা ★★
★ মন হইতে যাবতীয় চিন্তা ভাবনা দূর করিতে হইবে ।
★ বীর্য কি, উহার কাজ কি, কিভাবে তৈয়ার হয় উহার সহিত শরীরের প্রকৃত সম্পর্ক কি ইত্যাদি রোগীকে ভালভাবে বুঝাইতে হইবে । যৌন বিষয় যাবতীয় তথ্য ভালভাবে হৃদয়ঙ্গম করিতে হইবে ; ইহার বিষয়ে নিজে পড়াশুনা করিয়া জানিয়া নিলে সব চাইতে উত্তম হয় । ইহাতে চিন্তাগুলি শীঘ্র শীঘ্র দূরীভূত হইয়া যৌনহীনমন্যতা দূর হইবে ।
★ দ্রুত স্খলনের চিকিৎসায় ১ হইতে ৭ নং পর্যন্ত বিষয়গুলি অনুসরণ করিতে হইবে ।
★ যদি পূর্বে যৌন ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকিয়া থাকে তবে উহা সাময়িক দৈহিক ও মানসিক ক্লান্তি জনিত বলিয়া কিছুদিনের জন্য রতি বিরতি ও সম্পূর্ণ বিস্রাম নিতে হইবে । ঐ সময় দুধ, মাংস, ঘি ও মাখন সহ্যমত খাইবে । তবে যদি ইতিমধ্যে তাহাকে যৌন চিন্তায় পাইয়া থাকে তবে মনের আতঙ্ক দূর না করা পর্যন্ত বিশ্রাম ও উত্তম খাদ্যে ফল হইবে না, তখন নিজের মনের বল আনয়ন প্রয়োজন হইবে ।
★ যদি অল্প কিছু দিনের জন্য হইয়া থাকে তবে মানসিক কারণ কিভাবে হীনমন্যতার সৃষ্টি করে উহা তাহাকে বিশদভাবে বুঝাইতে হইবে । তবেই ক্রমে ক্রমে হীনমন্যতার প্রভাব চলিয়া গিয়া সে স্বাভাবিক যৌনতা প্রাপ্ত হইবে ।
★ গনোরিয়া ও সিফিলিস জনিত হইলে উহাদের চিকিৎসা দিতে হইবে ।
★ ৫০ হইতে উর্ধ বয়স্কদের মধ্যেও মানসিক দুশ্চিন্তা প্রধান কারণ হওয়ায় তাহাদের উপরোক্ত উপায়ে মানসিক কারণগুলি বুঝিয়ে দিতে হইবে । কেননা সকলের বেলায়ই যে ৫০ বছর পরে যৌন ক্ষমতা কমিয়া যাইবে এমন কথা নহে । যেহেতু পুরুষের যৌন শক্তি মনের উপর নির্ভর করে তাই মনে যাদের চির বসন্ত তাদের কোন ঔষধই দরকার করে না ।
আয়ুর্বেদিক হারবাল লক্ষন ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যাবস্থা, তাই সব রোগীর লক্ষন এক রকম থাকে না, লক্ষন অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে, তা হলে উপকার হবে , নিন্মে কিছু লক্ষন ও ওষুধের নাম দেওয়া হলো, আপনি লক্ষন মিলিয়ে সেবন করিবেন, তবে ওষুধের মান ভালো হতে হবে । ভালো মানের ওষুধ সেবন করিলে আল্লাহর রহমতে রেজাল্ট নিশ্চিত পাবেন ।
চিকিৎসা = এ সমস্যার জন্য আয়ুর্বেদিক হারবাল একমাত্র চিকিৎসা, দ্রুত কোনো ভালো রেজিঃ আয়ুর্বেদিক হারবাল ডাক্তারের পরার্মশ নিন ।
সতর্কতা ঃ- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না ।

এর রকম নতুন নতুন টিপস পেতে লাইক বিডির পাশে থাকুন ধন্যবাদ

BB Links

  • Link :
  • HTML Link:
  • BBcode Link:

About Author (36)

Tags:

2 responses to “★★★★যৌনজীবনে পুরুষের একান্ত দুর্বলতা – লক্ষণ, কারণ ও কী ?★★★★”

  1. Hasan says:

    Md.ArifurRahman ভাই আপনি এই পোষ্ট এ রিপোর্ট করেছিলেন কেন?

  2. Md.ArifurRahman says:

    ভাই এই পোষ্টটা বেশি ভিও হয়েছে তাই আমি এই পোষ্ট লিখে টাকা পাবো না

Leave a Reply