প্রেমের টানে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো কিশোরি

খবর Feb 19, 2022 18 Views
Googleplus Pint

প্রেমের টানে ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে এসেছিলো কিশোরি। পুলিশদের মতে, গত ১৭/০২/২২ তারিখ বুধবার দিবাগত রাতে তেঁতুলিয়া সীমান্তের বিপরীত প্রান্তে ভারতের মুড়িখাওয়া অঞ্চল থেকে মহানন্দা নদী পার হয়ে ওই কিশোরী বাংলাদেশে প্রবেশ করে ছেলেটির বাড়িতে অবস্থান গ্রহন করে।

মেয়েটির বাড়ি ভারতের উত্তর জেলা দিনাজপুর থানা গোয়াল পুকুর হারিয়ানি এলাকার বাসিন্দা। আটক হওয়া মেয়েকে দেখতে তেঁতুলিয়া থানায় আসে আবদুল লতিফ ওরফে রকিব (২১ বছর বয়স)।

ছেলেটি জানায় সে ওই মেয়েটির স্বামী। নিজেকে ভারতীয় কিশোরীর স্বামী হিসেবে দাবি করে আবদুল লতিফ পুলিশকে বলেন, কয়েক বছর আগে তিনি ভারতে পালিয়ে গিয়ে ভারতের কেরালা রাজ্যের একটি খাবার হোটেলে কাজ নেন। ওখানে কিশোরীর বড় ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতেন। তখন ওই কিশোরীর বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। তারপর এক বছর আগে তাঁদের দুজনের মধ্যে প্রেমের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর তারা তিন মাস আগে ভারতে লুকিয়ে বিবাহ করেছিলেন। সম্প্রতি কোন কারনে আবদুল লতিফ বাংলাদেশে চলে আসেন। এরপর তাঁর ভালোবাসার টানেই বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে ভারতীয় ওই কিশোরী।

পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. গোলাম ফজলে রাব্বী বলেন, পুলিশের হাতে আটক হওয়া ভারতীয় কিশোরীর বিষয়ে ১৮/২/২০২২ শুক্রবার সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া সীমান্তে বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএসএফ ভারতীয় পুলিশের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করে ১৮/২/২০২২ শুক্রবার সকালের মধ্যে ওই কিশোরীকে ফিরিয়ে নেয়।

পতাকা বৈঠকে ভারতের বিএসএফের হাফতিয়া ক্যাম্পের সহকারী কমান্ড্যান্ট কমল সিং, ভারতীয় গোয়ালপুকুর থানার পুলিশ সদস্য দিলীপ কুমার সরকার, বিজিবির তেঁতুলিয়া বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. আবদুল মোতালেব, তেঁতুলিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার রায়, নুরুল হক, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাপলা ইয়াসমিনসহ বিজিবি-বিএসএফ, দুই দেশের পুলিশ সদস্যরা ও ওই কিশোরীর মা–বাবা উপস্থিত ছিলেন।

তেঁতুলিয়া থানার এসআই তপন কুমার রায় প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা দুজনই ভারতে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করলেও কোনো প্রকার বিয়ের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ ছাড়া দুজনের কেউই কোনো প্রকার পাসপোর্ট-ভিসা দেখাতে পারেননি। মেয়েটির বিয়ের জন্য বয়স কম হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে বাংলাদেশ বিজিবির সঙ্গে কথা বলে ভারতীয় বিএসএফের মাধ্যমে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সর্বশেষ বিএসএফ ও পুলিশের সহায়তায় ওই কিশোরীকে তার মা–বাবার কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রেমিক দাবি করা তরুণক (আবদুল লতিফ) তাঁর মা–বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

ওই ভারতীয় কিশোরীর প্রেমিক দাবি করা বাংলাদেশি তরুণ আবদুল লতিফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আমাদের ফেসবুক পেজঃ Likebd.Com – Home

আরো দেশের খবর জানতেঃ http://likebd.com

[kkstarratings]

BB Links

  • Link :
  • Link+title :
  • HTML Link:
  • BBcode Link:
Googleplus Pint
Likebd Admin (2)
Contributor
User ID: 42498
আমিই প্রযুক্তি

Comments