আল আমিনের ‘ধৈর্য পরীক্ষা’র ফল প্রকাশ

খেলা Jul 29, 2017 93 Views
Googleplus Pint
noimage

লাইকবিডি ডেস্ক: কথায় আছে, ধৈর্যের ফল বৃথা যায় না। আল আমিনের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। সর্বশেষ গেল বছরের মার্চে জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। এরপর আর দেশের জার্সি গায়ে উঠেনি তার। টেস্ট খেলেছেন তারও আগে। ২০১৪ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আর একদিনের ক্রিকেটে আল আমিন সর্বশেষ ম্যাচ খেলেন ২০১৫ সালের নভেম্বরে। সবমিলে ১৪ মাস পর জাতীয় দলের সুঘ্রাণ পেলেন আল আমিন। তাকে রাখা হলো প্রাথমিক দলে।

এবার সুযোগ এসেছে মূল দলে জায়গা করে নেওয়া। পারবেন আল আমিন? ফিটনেসের সঙ্গে বলের সুনিপুণ দক্ষতা দিয়ে জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে। কাজটা মোটেও সহজ হবে না। কারণ পেস আক্রমণে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান আর শফিউল ইসলাম। যেখানে মোস্তাফিজ অটোমেটিক চয়েস। বাকিদের সঙ্গে পাল্লা দিতে হবে আল আমিনকে।

অবশ্য একটা রাস্তা খোলা আছে আল আমিনের জন্য। রুবেল হোসেন ইনজুরিতে পড়ায় প্রায় ছয় সপ্তাহের মত থাকবেন মাঠের বাইরে। সেই ফাঁকে নিজেকে প্রমাণ করে আল আমিন জায়গা করে নিতে পারেন জাতীয় দলে। অস্ট্রেলিয়া টেস্টকে লক্ষবস্তু হিসেবে ধরে হয়তো সেই কাজটাই করবেন আল আমিন। সেক্ষেত্রে তাকে এগিয়ে রাখবে ঘরোয়া টুর্নামেন্টের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। কয়েকদিন আগে পর্দা নামা ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে ১৪ ম্যাচে ২৯ উইকেট নিয়েছেন আল আমিন। সেরা উইকেট টেকারের তালিকায় তার স্থান তিন নম্বরে।

তবে একটা জায়গায় কান দিলে আল আমিনের আফসোস শোনা যাবে। অভিষেক হওয়ার পর দীর্ঘ সময়ই তিনি কাটিয়েছেন দলের বাইরে। এমন না যে, পারফরম্যান্স খুবই খারাপ। জাতীয় দলের হয়ে অদ্যবধি ৬ টেস্টে ৬টি উইকেট শিকার করেছেন আল আমিন। ১৪টি ওয়ানডে খেলে নিয়েছেন ২১ উইকেট। এছাড়াও ২৫ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি খেলা আল আমিনের ঝুলিতে জমা আছে ৩৯ উইকেট। তবুও বছরের পর বছর নীরব দর্শক হয়েই থাকতে হয়েছে আল আমিনকে।

Googleplus Pint
Hasan
Administrator
Like - Dislike
Rate this post

পাঠকের মন্তব্য