Likebd.com
তাজমহল সম্পর্কে অজানা তথ্য জেনে নিন

তাজমহল সম্পর্কে অজানা তথ্য জেনে নিন

তাজমহল সম্পর্কে আমাদের অনেক তথ্যই অজানা। তাজমহল সম্রাট সাহাবুদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহানের স্ত্রী মমতাজের সমাধিসৌধ। যার পরে নাম হয় তাজমহল। সম্রাট জাহাঙ্গিরের তৃতীয় পুত্র খুররমের জন্ম হয়েছিল ১৫৯২ সালে। পিতামহ আকবর ও পিতা জাহাঙ্গিরের নয়নের মণি হয়ে বড় হয়েছেন। তাও নিজের মা জগৎ গোঁসাই-এর (বিলকিস মকানি) কাছে নয়, সন্তানহীনা বিদুষী পিতামহী রোকেয়া সুলতানা বেগমের কাছে। যুদ্ধবিদ্যায়, লেখাপড়ায় পারদর্শী হলেও তার আরো অনেক বিষয়ে আগ্রহ ছিল, যেমন স্থাপত্যশিল্প, মণিরত্ন ও কারুশিল্প।

১৫ বছর বয়সে তার সঙ্গে দরবারের উচ্চতম পদাধিকারী ওমরাহ ইতিমদ্দৌলার পৌত্রী আর্জুমন্দ বানু বেগমের বাগদান হয়। জ্যোতিষীদের গণনায় শুভদিন না পাওয়ায় বিয়ের জন্য পাঁচ বছর অপেক্ষা করার পর ১৬১২ সালে ধুমধাম করে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আর্জুমন্দ বানুর নতুন নাম হয় মমতাজ মহল। ক’বছর পরে মেবার ও দাক্ষিণাত্যের যুদ্ধে সাফল্য পেয়ে খুররমও ‘শাহজাহান’ উপাধি পান। দু’জনের বন্ধন ছিল গভীর, শাহজাহান যেখানেই যেতেন, মমতাজও তার সঙ্গে থাকতেন। এমনকী যুদ্ধের জন্য মেবার, গুজরাট বা বুরহানপুরে থাকার সময় মমতাজও সঙ্গে ছিলেন। এই বুরহানপুরে থাকাকালীন ১৬৩১ সালে (অর্থাৎ ১৬২৮-এ শাহজাহান সম্রাট হওয়ার মাত্র তিন বছর পর) তাদের চতুর্দশ সন্তান প্রসবের সময় মুমতাজের আকস্মিক মৃত্যু হয়। সম্রাট এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে দীর্ঘদিন রাজকাজে মন দিতে পারেননি। ষোড়শী জ্যেষ্ঠা কন্যা জাহানারা তখন পিতাকে সামলে রাখেন। বুরহানপুরের শাহি কেল্লা থেকে কিছু দূরে জায়নাবাদের আহুখানার বরাদরিতে মমতাজকে অস্থায়ী ভাবে সমাহিত করা হয়। আগ্রায় ফেরার পর শাহজাহান তার বেগমের জন্য একটি সমাধিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। সমসাময়িক বিবরণ থেকে জানা যায়, স্থান নির্বাচন, স্থপতি ও বাস্তুকার নিয়োগ, সৌধের রূপকল্পনা, অলংকরণ প্রতিটি ক্ষেত্রে সম্রাটের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ শুরু হয়।

যমুনা নদী যেখানে দুর্গের নিচ থেকে পশ্চিম দিকে বড় রকমের বাঁক নিয়েছে সেখানে আমের-এর (জয়পুর) রাজা মান সিংহ কাচ্ছওয়াহা-র বড় মাপের বাগানবাড়িটি সম্রাটের মনঃপূত হয়। কাচ্ছওয়াহাদের নাম অনুযায়ী এলাকাটির নাম কাচ্ছপুরা। তখনকার অধিকারী উঁচু পদের ওমরাহ রাজা (পরে মির্জা রাজা) জয়সিংহ কাচ্ছওয়াহা সম্রাটের মনোভাব জেনে জমিটি দান করতে চান। কিন্তু ইসলামের অনুজ্ঞা অনুযায়ী দানে পাওয়া বা ছিনিয়ে নেয়া জমিতে পবিত্র সমাধির নির্মাণ বিধেয় নয় বলে জমির বিনিময়ে রাজা ভগবানদাসের হাভেলি ও মান সিংহের ছোট ভাই মাধো সিংহের হাভেলি, আটঘা খান বাজারে রূপসী বেরাগী ও সুরজ সিংহের ছেলের হাভেলি— মোট চারটে হাভেলি জয়সিংহকে হস্তান্তরিত করা হয়। যে দলিল থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে সেটি আসল দলিলের একটি প্রতিলিপি, জয়পুরের ‘কপড়দ্বারা’ মহাফেজখানা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে এখন বিকানিরের রাজ্য অভিলেখাগারে সুরক্ষিত আছে। এই জমিতে কোনো মন্দির ছিল কি না তার কোনো উল্লেখ কোথাও নেই। তা ছাড়া কাচ্ছওয়াহা বংশে একমাত্র দ্বিতীয় সওয়াই রাম সিংহ (উনিশ শতক) ছাড়া কেউ শিবের উপাসক ছিলেন না, সকলেই মাতৃদেবীর পূজক ছিলেন। জয়পুরের সিটি প্যালেস মিউজিয়ামের একটি রঙিন নকশা থেকে জানা যায় যে ১৭৩৫ সালে যমুনা নদীর দু’ধারে রাজপরিবারের সদস্যদের ও দরবারের আমির-ওমরাহদের মোট ৪২টি বসতবাড়ি, বাগানবাড়ি বা সমাধিসৌধ ছিল। ‘কপড়দ্বারা’ মহাফেজখানার দুটি অন্য দলিল থেকে আরো জানা যায় যে রাজস্থানের মকরানার খনি থেকে মার্বেল খনন ও আগ্রায় পাঠানোর পুরো দায়িত্ব জয়সিংহ পালন করেছেন।

তাজমহলের স্থপতির নাম সরকারি ভাবে কোথাও লেখা নেই। যুবরাজ থাকাকালীন শাহজাহানের নির্দেশ অনুযায়ী ও পরে তার পরিকল্পনা অনুযায়ী অনেকগুলো ছোটবড় সৌধ নির্মিত হয়েছিল। যেমন আজমিরের অনাসাগরের ধারে দু’টি মনোরম বরাদরি, আহমদাবাদের শাহিবাগ প্রাসাদ, বুরহানপুরের শাহি কেল্লার দেওয়ানি-আম, দেওয়ানি খাস ও হমাম, লাহৌর দুর্গের কোনো কোনো অংশের নির্মাণে তার স্থাপত্যশিল্পে মুনশিয়ানার পরিচয় পাওয়া যায়। তাই তাজের রূপকল্পনা ও নির্মাণে যে তার ভাবনাচিন্তার প্রত্যক্ষ ছাপ থাকবে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

মোগল সম্রাটদের নজরকাড়া সমাধিসৌধ আগেও তৈরি হয়েছে, যেমন দিল্লিতে হুমায়ুনের সমাধি ও আগ্রার সেকেন্দ্রায় আকবরের সমাধি। কিন্তু শাহজাহান একটু অন্য ভাবে তার ভাবনাকে রূপ দিতে চেয়েছিলেন। ওই তিনটি সমাধিসৌধ বাগানের ঠিক মাঝখানে নির্মিত হলেও তাজ নির্মিত হয়েছে বাগানের একেবারে উত্তর ভাগে, নদীর কিনারায়।

তাজের নকশা তৈরির ভার কার উপর দেয়া হয়েছিল সে কথা সরকারি ভাবে উল্লিখিত না হলেও আমরা মোটামুটি নিশ্চিত যে তাজের মুখ্য স্থপতি হলেন উস্তাদ আহমদ লাহোরি। লুতফুল্লাহ মুহান্দিস-এর লেখা ‘দেওয়ান-ই-মুহান্দিস’ থেকে জানা যায় যে তার পিতা উস্তাদ আহমদ স্থপতি, প্রযুক্তিবিদ, গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, এবং তিনি শুধু তাজমহল নয়, দিল্লির শাহজাহানাবাদ ও লালকেল্লার স্থপতিও ছিলেন। সম্রাট তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে তাকে ‘নাদির-উল-আসর’ (দুনিয়ার সেরা) উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। লাহোরিকে সাহায্য করেছিলেন উস্তাদ হামিদ। নকশা অনুযায়ী নির্মাণের গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন জাহাঙ্গিরের সময়কার অভিজ্ঞ নির্মাণশিল্পী মির আবদুল করিম। জাহাঙ্গির তাকে মামুর খান (স্থপতি খান) উপাধি দিয়েছিলেন। তাকে সাহায্য করতেন মকরামত খান। মূল কাঠামো বিশেষ মশলা দিয়ে তৈরি পোড়ানো ইটের, তার উপর শ্বেতশুভ্র মর্মর পাথরের আস্তরণ। সৌধের মূল আকর্ষণ এর প্রায় ৩৫ মিটার উঁচু গম্বুজ। কোনো কোনো সূত্র অনুযায়ী গম্বুজ নির্মাণের দায়িত্ব তুরস্কের স্থপতি উস্তাদ ইশা ও উস্তাদ আফান্দির উপর ন্যস্ত ছিল। কোনো লিখিত সমর্থন পাওয়া যায় না বলে এর সত্যতা সম্বন্ধে সন্দেহ আছে। গম্বুজের উপর উলটানো পদ্মফুলের মাঝখান থেকে উঠে আসা প্রায় ন’মিটার লম্বা সোনার পানি দেয়া তামার ভারী চূড়া। এটি নাকি লাহোরের নামী স্বর্ণকার কাজিম খানের করা।

তাজের সৌন্দর্যের মুখ্য কারণ দেয়ালের ও চার দিকের সুউচ্চ দরজার খিলানের উপরকার অলংকরণ। দেয়ালের নিচের দিকে অত্যন্ত যত্নে রিলিফের কাজ করা সারি সারি ফুলের গাছ। এত সজীব লাগে যে ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়। ফুলগুলো চেনা মনে হলেও ঠিকমতো চেনা যায় না। খিলানের কিনারায় উৎকীর্ণ করা নাস্‌খ শৈলীর আরবি লিপির স্রষ্টার নামটা শুধু জানা গেছে, কারণ তিনি বাইরের দেয়ালে দু’জায়গায় ও ভিতরে এক জায়গায় নিজের নাম লিখেছেন। বস্তুত এই সুবিশাল সুরম্য সমাধিসৌধে একমাত্র লিপিকার আমানত খানের নাম ও তারিখ ছাড়া আর কোনো নাম বা তারিখ লেখা নেই। জাহাঙ্গিরের রাজত্বের প্রথম দিকে ভাগ্যান্বেষণে সিরাজ থেকে দুই গুণী বিদ্বান ভাই মোগল দরবারে আসেন। বড় ভাই মোল্লা শুকরুল্লা সিরাজি শাহজাহানের বিশেষ আস্থাভাজন হয়ে আফজল খান উপাধি পান ও মুখ্য অমাত্যের পদে উন্নীত হন। ছোট ভাই আবদুল হক সিরাজি লিপিবিদ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন, সেকেন্দ্রায় আকবরের সমাধিসৌধের দক্ষিণ দরওয়াজায় প্রথম তার লিপির ব্যবহার হয়। ক্রমশ আমানত খান উপাধি পেয়ে তিনি শাহজাহানের মুখ্য লিপিকার পদে উন্নীত হন।

সৌধের দক্ষিণ দরওয়াজা দিয়ে ঢুকলে আধো-অন্ধকারে তাজের বিশাল গম্বুজের নিচে প্রথমেই নজরে পরে দু’টি সমাধিকে ঘেরা সূক্ষ্ম জালির কাজ করা আটকোনা মর্মর বেষ্টনী। শোনা যায় এই আটটি পাথরের উপর জালি তৈরি করতে ও নানা রকমের রঙিন রত্ন-পাথরের টুকরো দিয়ে ফুল-লতাপাতার ‘পরচিনকারী’ বা ‘পিয়েত্রা-দ্যুরা’-র কাজ শেষ করতে দশ বছর সময় লেগেছিল। তিব্বত থেকে টারকোয়াজ, কাশ্মীর থেকে স্যাফায়ার, গুজরাত থেকে অ্যাগেট, আরব দেশ থেকে কার্নেলিয়ান, কাশগড় থেকে জেড, বদাকসাম থেকে ল্যাপিস লাজুলি, শ্রীলঙ্কা ও মায়ানমার থেকে নানাবিধ মণিরত্ন এনে এই অদ্ভুত সজীব ‘ইনলে’র কাজ সম্পূর্ণ হয়েছিল। গম্বুজের ঠিক নিচে আয়তাকার দু’টি সমাধির উপর ও তাদের ঘিরে যে প্রায় দু’মিটার উঁচু জালির উপর ছোট-বড় ফুল, লতাপাতার নকশার এই কাজ একটা সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রা এনে দিয়েছে। কোনো কোনো সূত্র অনুসারে এই কাজের ভার পড়েছিল দিল্লির নামকরা মিনকার চিরঞ্জিলালের উপর। আবার অনেকের ধারণা, সুদূর ইতালির ফ্লোরেন্স থেকে কারিগর এসে নানা রঙের পাথর দিয়ে ‘ইনলে’ করার কাজ এ দেশের কারুশিল্পীদের শিখিয়েছিলেন। মুখ্যত এই কাজ দেখে একাধিক ইউরোপীয় ভ্রমণকারী ভেবেছিলেন যে, তাজের নকশা কোনো ইউরোপীয়ের করা।

একজন ফরাসি স্বর্ণশিল্পী অগুস্তঁ দ্য বোর্দো জাহাঙ্গিরের দরবারে বেশ কয়েক বছর কাজ করেছেন। তার করা নতুন ধরনের সিংহাসন দেখে জাহাঙ্গির তাকে ‘হোমরমন্দ’ উপাধি দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৬৩২ সালে তাজের নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

তাজের নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সম্রাট তার রক্ষণাবেক্ষণের উপযুক্ত ব্যবস্থা করেছিলেন। দক্ষিণ দিকে বিস্তীর্ণ এলাকায় তাজের নকশার সঙ্গে মিলিয়ে ক্যারাভানসরাই এবং খুচরো ও পাইকারি ব্যবসার জন্য কাটরা (বাজার) তৈরি করান, যার ভাড়া ও বেশ অনেকগুলো গ্রামের খাজনার আয় থেকে তাজের নিয়মিত সাফ-সাফাই ও কাজ-কারবার চালু রাখার ব্যবস্থা হয়। কিন্তু ক’বছর পরে শাহজাহান গদিচ্যুত ও গৃহবন্দি হওয়ার পর থেকে তাজ ধীরে ধীরে অবহেলার শিকার হয়। এক বার ছাদ থেকে পানি পড়া বন্ধ করার জন্য আওরঙ্গজেব ব্যবস্থা করেছিলেন বলে জানা গেলেও তিনি তার মায়ের সমাধিসৌধের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছিলেন বলে প্রমাণ নেই। তবে আওরঙ্গাবাদের বেগমপুরায় তিনি তার মুখ্য বেগম দিলরস বানুর সমাধিসৌধ বিবি-কা-মকবারা-র নকশায় যে তাজকে অনুসরণ করেছিলেন তা দেখতেই পাওয়া যায়।

আঠরো শতকে আরো দুর্দিন ঘনিয়ে আসে। প্রথমে দিল্লির মসনদ দখলকারি সৈয়দ ভাইরা ১৭১৯ সালে প্রতি শুক্রবার মমতাজের সমাধির উপর যে মুক্তো বসানো বহুমূল্য ‘চাদর’ চড়ানো হতো সেটি লুঠ করে। তার পর ১৭৬১ সালে জাঠ লুঠেরারা তাজের মোটা রুপার চাদর দেয়া কাঠের দরজা লুঠ করে নিয়ে যায়। তার পর ইংরেজদের পালা। ১৮৫৭’এর মহাবিদ্রোহের পরে তাজের প্রবেশপথের আগে ‘জিলাউখানা’য়, বাগানে সেনাদের তাঁবু পড়ে, আর পূর্ব দিকের ‘মেহমানখানা’য় সেনা-আধিকারিকদের বাসের ব্যবস্থা হয়। বাগান নষ্ট হয়ে যায়, ধাতুর তৈরি ফোয়ারা, জালির ও সমাধির দামি পাথরের টুকরো খুঁটে খুঁটে তুলে নেয়া হয়, চুড়োর তামার উপর থেকে সোনার পাত খুলে নেয়া হয়। তার ওজন নাকি এখনকার হিসাবে বেশ কয়েক কিলো। পরে ভাইসরয় লর্ড কার্জনের বিশেষ প্রচেষ্টায় তাজ তার পুরনো গরিমার অনেকটাই ফিরে পায়। তবে তাজের সব থেকে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হয়েছে সাম্প্রতিক কালে, যখন মথুরায় পেট্রোলের বিশাল শোধনাগার নির্মিত হয়। সেই রাসায়নিক বিষবাষ্পে তাজের শ্বেতশুভ্র মর্মর পাথরের যে ক্ষতি হচ্ছে তা পূরণ করা বোধহয় সম্ভব নয়। কালের কপোলতলে শুভ্র সমুজ্জ্বল নয়নের একবিন্দু জল আর কত দিন টিকে থাকবে জানি না।

এক প্রবল পরাক্রান্ত বৈভবশালী সম্রাটের অভিনব সৃষ্টি থেকে ধীরে ধীরে তাজমহলের মর্মরসৌধ এক কবির কবিতা, বিরহের অশ্রুজলের প্রতীকে রূপান্তরিত হয়েছে। শাহজাহানের অনেক গুণ থাকলেও তিনি কবিতা লিখেছেন কি না জানা নেই, তবে তিনি যে তার উনিশ বছরের সহধর্মিণীকে চিরস্থায়ী রূপ দিতে পেরেছেন সে কথা অনস্বীকার্য। এ কথা বলাই যায়, তাজ দেখেছি। আর কিছুই দেখার নেই।

Add comment

Most discussed