Home / স্বাস্থ্যগত / শীতের দিনে শরীর গরম রাখতে যা খেতে পারেন

শীতের দিনে শরীর গরম রাখতে যা খেতে পারেন

শীত থেকে বাঁচার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানে না খাবারের মাধ্যমেও শরীরকে গরম রাখা যায়।  

বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের শরীরের সচলতা অনেকাংশেই নির্ভর করে জ্বালানীর উপর। অর্থাৎ ঠিক ঠিক খাবার খেলে শরীর ঠিক থাকবে, আর যদি ঠিক মতো জ্বালানী সরবরাহ করতে না পারেন, তাহলেই ব্রেক ডাউন। শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে যে খাবারগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল…

ইমিউনিটি বাড়াবে এমন খাবার 
শীতকালে ঠান্ডা লেগে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা সব থেকে বেশি থাকে। তাই এসময় শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সবুজ শাক-সবজি, লেবু, কমলা লেবু, টমাটো, মাছ, দই, ঘি, হোল গ্রেন খাবার প্রভৃতি বেশি করে খেতে হবে। প্রসঙ্গত, এই সময় যতটা সম্ভব ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার এড়িয়ে চলবেন। কারণ হজম হতে সময় লাগবে এমন খাবার বেশি করে খেলে একদিকে যেমন নানাবিধ পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পরার সম্ভাবনাও থাকবে। 

জল খেতে হবে বেশি করে 
শীতকালে সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস গরম জলে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এই পানীয়টি নিয়মিত খেলে হজম ক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটবে, তেমনি শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে উঠবে যে ঠান্ডার কারণে আপনার কোনও কষ্টই হবে না। এই সময় আরেকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, তা হল তাপমাত্র কমে যাওয়ার কারণে শীতকালে আমাদের জল তেষ্টা খুব কমে যায়। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই এই সময় ভুলেও ৩-৪ লিটারের কম জল খাওয়া চলবে না। 

ঘি এবং ফাইবার রয়েছে এমন খাবার
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে শীতকালে ফাইবার জাতীয় খাবার বেশি করে খেলে হজম প্রক্রিয়ায় বিগড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে শরীরের অন্দরের তাপমাত্র বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাইরের ঠান্ডা সেভাবে শরীরকে কাবু করতে পারে না। প্রসঙ্গত, এই সময় প্রতিদিন এক চামচ করে ঘি খাওয়ারও পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। কারণ এই খাবারটি নিয়মিত খেলে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে, ওজন বাড়ার আশঙ্কা কমে এবং শরীর গরম থাকে। 

বাদাম এবং কিশমিশ খেতে হবে নিয়ম করে
শীতের ব্রেকফাস্ট যেন কোনও দিনই বাদাম এবং কিশমিশ ছাড়া শেষ না হয়। কারণ এই ধরনের খাবারগুলি সারা দিন শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, বাদাম এবং কিশমিশ আরও নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। তাই শীতকালে ভুলেও বাদাম আর কিশমিশের সঙ্গ ছাড়া কখনই চলবে না কিন্তু! 

তুলসি এবং আদা
আয়ুর্বেদিক গ্রন্থ থেকে জানতে পারা যায়, শীতকালে শরীরকে সুস্থ এবং কর্মক্ষম রাখতে তুলসি এবং আদার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই দুই প্রকৃতিক উপাদানের শরীরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রপাটিজ, যা শীতের কামড় থেকে বাঁচাতে সব দিক থেকে সাহায্য করে থাকে। 

সবুজ শাক-সবজি
শীতকাল মানেই সবজি বাজারে রঙের পরশ। আর সেই রং যাতে আপনার খাবারের প্লেটেও লাগে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আর সেই কারণেই তো রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে গাজর, পালং শাক, বিনস, টমাটো সহ আরও নানা সব সবজিকে।

Share With

About Hasan

LIkebd Is best place where you share your knowledge. So I want to change this.

Check Also

আমলকির রসে যত গুনাগুন

আমলকির বহুবিধ গুণ। ত্বক ডিটক্স করার জন্য আমলকির তুলনা হয় না। রক্ত পরিশ্রুতও করে আমলকি। …

Leave a Reply