হার্টের রোগ বিনাঅপারেশনে হোমিও মেডিসিনের মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব।

স্বাস্থ্যগত Sep 14, 2017 297 Views
Googleplus Pint

হার্টের রোগ বিনাঅপারেশনে হোমিও
মেডিসিনের মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব। এজন্য
জানতে হবে হার্টের রোগ কি? কেন হার্টের রোগ
হয়? কিভাবে হার্টের রোগকে হোমও মেডিসিনের
মাধ্যমে নিরাময় করা যাবে? হার্ট অ্যার্টাক,
হার্টের রোগ অামাদের দেশে খুব বেশি হচ্ছে।
হার্টের কাজ হলো পুরা দেহ কে রক্ত সরবরাহ করা
এবং নিজের জন্য রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ করা।
তার নিজের জন্য যে টিউব এ রক্ত সরবরাহ করে
তাকে করোনারী অার্টারি বলে। যার মাধ্যমে হার্ট
তার পুষ্টি ও রক্ত সরবরাহ করে এবং তার পাম্পিং
গুণকে চালিয়ে নিয়ে যায়। এই রক্তনালিতে যদি
কোনো রোগ হয়—যেমন রক্তনালি স্পাজম হতে
পারে, রক্তনালিতে প্লাক জমতে পারে,
কোলেস্টেরল জমে যেতে পারে, ব্লক হতে পারে,
যখনই ব্লক হয়, তখন বুকে ব্যথা হয়, তাহলে দেখা
যাচ্ছে যে হার্টের রক্তনালিতে ব্লকজনিত যে
সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা হয়, তাকে আমরা বলি
হার্টের রোগ। ব্লকের ১০০% হলে হার্ট অ্যার্টাক হয়।
হার্টের রোগ হয়েছে বুঝা যাবে যখন বুকের
মাঝখানে ব্যথা এবং খুব চাপ লাগা, বুকের ভেতর
অনেক বেশি ওজন, ‘এখনই মারা যাচ্ছি’ এ রকম একটি
অনুভব হবে। সঙ্গে ঘাম থাকে। আবার বুক ধড়ফড় করা,
শ্বাসকষ্ট হওয়া এই ধরনের যদি ব্যথা হয়, রোগী যদি
ধূমপান করে, উচ্চ রক্তচাপ থাকে, ডায়াবেটিস থাকে
এই ধরনের ব্যথা যদি হয়, সেই ক্ষেত্রে ইসকেমিক
হার্ট ডিজিজের আশঙ্কা বেশি। হার্ট অ্যাটাকের
আশঙ্কা বেশি। প্রতিরোধের জন্য যে জিনিসগুলো
দরকার, প্রথমে খাদ্যভাস পরিবর্তন করতে হবে। তৈল
এবং মাংস কম খাইতে হবে। হার্টের মুল কারন হলো
চর্বি জমা। অারো কারন অাছে, সেটি হলো ধূমপান
বন্ধ করতে হবে। ডায়াবেটিস থাকলে অবশ্যই তাকে
নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ
নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। রক্তে কোলেস্টেরলের
পরিমাণ যদি বেশি থাকে, যেমন সম্পূর্ণ
কোলেস্টেরলের পরিমাণ বলি ১৫০-এর নিচে থাকতে
হবে। এসডিএল চল্লিশের ওপর নিয়ে আসতে হবে।
হাটা এবং সবুজ সবজি খাওয়া মাধ্যমে SDL বাড়ানো
যাবে। হার্ট অ্যার্টাকের পরিমান কমাবে। এরপর
এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল যেটা একে
সত্তরের নিচে নিয়ে আসতে হবে। ট্রাইগ্লিসারাইড
১৫০-এর নিচে নিয়ে আসতে হবে তৈল থকে তৈরী হয়।
তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে
রাখতে হবে অ্যানিম্যাল জাতীয় খাদ্য থেক তৈরী
হয়। এর সঙ্গে ওজন বেশি থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণে
রাখতে হবে। তার শারীরিক পরিশ্রম দরকার। ৩০
মিনিট করে নিয়মিত সে হাঁটবে। মানসিক চাপ
তাকে অবশ্যই কমাতে হবে। মানসিক চাপ খুব বড়
কারণ। মানসিক চাপ তাকে অবশ্যই কমিয়ে আনতে
হবে। অাজকাল মানসিক এত পরিমান বাড়ছে যার
হার্টের রোগ বেড়ে গেছে, তাই মানসিক চাপ অবশ্য
কমাতে হবে। হার্ট লক্ষণ দেখে আমরা ইসিজি করি,
রক্তের কিছু পরীক্ষা করি, এরপর অনেক সময় ইকো
কার্ডিওগ্রাম করি, এরপর যদি দ্বন্দ্ব থাকে যে
ব্যথাটা হার্টের না কি অন্য কিছুর, সেই ক্ষেত্রে
আমরা এক্সারসাইজ টলারেন্স টেস্ট করি। একে
ইটিটি বলা হয়। এ ধরনের পরীক্ষা করি। যখন আমরা
নিশ্চিত হই হার্টের রোগ আছে, বিভিন্ন পরীক্ষা
করে আমরা দেখতে পারি, কয় শতাংশ ব্লক, সে
ক্ষেত্রে আমরা একটি এনজিওগ্রাম করতে পারি।
এনজিওগ্রাম করলে আরো নিশ্চিত হওয়া যায়,
আর্টারি ব্লক কি না বা কত শতাংশ ব্লক আছে,
কয়েকটা আর্টারি ব্লক আছে, একেবারে নিশ্চিত
হতে হলে আমরা এনজিওগ্রাম করে বুঝতে পারি।
হোমিও ডা: হার্টের চিকিৎসার জন্য হার্টের চর্বি
দুর মেডিসিন নির্বাচন করতে হবে এবং হার্টের
দুর্বলতা দুর করার জন্য মেডিসিন নির্বাচন করতে
হবে। সেটা হতে হবে রোগির সমগ্র লক্ষন অনুসারে,
একক, সুক্ষ, সুনির্বাচিত মেডিসিন। যা দ্বারা
বিনাঅপারেশনে ইন শাঅাল্লাহ হার্টের রোগ
নিরাময় করা সম্ভব।

Googleplus Pint
Like - Dislike
Rate this post

পাঠকের মন্তব্য