Likebd.com
কক্সবাজারে হচ্ছে সি-অ্যাকুরিয়াম, ক্যাবল কার

কক্সবাজারে হচ্ছে সি-অ্যাকুরিয়াম, ক্যাবল কার

বিডিলাইভ ডেস্ক: উন্নত প্রায় সকল দেশে পর্যটন আকর্ষনের জন্য নানারকম ব্যবস্থা করে থাকে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশ তাদের সমুদ্র সৈকতগুলোকে সাজিয়ে তোলেন আকর্ষনীয় করে। তবে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজারে পর্যটন আকর্ষণের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। শুধুমাত্র সৈকতে ঘোরাফেরা ছাড়া আর তেমন কোনো বাড়তি বিনোদনের ব্যবস্থা নেই কক্সবাজারে। এ কারণে বিদেশি পর্যটক টানতে ব্যর্থ […]

লাইকবিডি ডেস্ক: উন্নত প্রায় সকল দেশে পর্যটন আকর্ষনের জন্য নানারকম ব্যবস্থা করে থাকে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশ তাদের সমুদ্র সৈকতগুলোকে সাজিয়ে তোলেন আকর্ষনীয় করে। তবে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজারে পর্যটন আকর্ষণের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই।

শুধুমাত্র সৈকতে ঘোরাফেরা ছাড়া আর তেমন কোনো বাড়তি বিনোদনের ব্যবস্থা নেই কক্সবাজারে। এ কারণে বিদেশি পর্যটক টানতে ব্যর্থ কক্সবাজার। তবে এ সমু্দ্র সৈকতের সৌন্দর্য পুরোপুরি অবলোকনের জন্য কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ করা হয়েছে।

মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পর ইনানি সৈকতে টুরিস্ট জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এ টুরিস্ট জোনে গড়ে তোলা হবে সি-অ্যাকুরিয়াম।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সারোয়ার উদ্দিন আহমেদ একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে বলেন, মালয়েশিয়ার লাঙ্কা বিচে বা সিঙ্গাপুরের সেন্টাসাদে যেসব অ্যাকুরিয়াম রয়েছে। সেগুলোতে ঢুকলে সারাদিন কাটিয়ে দেয়া যায়। সেরকম করেই ৪২ একর জমির উপর আমাদের অ্যাকুরিয়াম নির্মিত হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, অ্যাকুরিয়াম ছাড়াও সেখানে যাদুঘর ও পার্ক নির্মাণ করা হবে। এটি হবে ডিজনিল্যান্ডের মত। পাহাড়কে জড়িয়ে ক্যাবল কার দিয়ে এর সৌন্দর্য বাড়ানো হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সি-অ্যাকুরিয়াম নির্মাণে সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ায় একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা চলছে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব:) ফোরকান আহমেদ বলেন, এটি নির্মাণের জন্য আমরা নিরাপত্তা, জমি সহ যাবতীয় বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগীতা করবো। আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে এটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

লাইকবিডি টিউনার

Add comment

Most discussed